রোজদিন ডেস্ক : একাধিক পোস্টে শুভেন্দু দাবি করেন, “রাজ্যের প্রশাসনিক দায়িত্ব কার্যত আউটসোর্স করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আই-প্যাক কর্মীরা এখন প্রশাসনিক কাজেও হস্তক্ষেপ করছে।” শুভেন্দুর অভিযোগ, “আই-প্যাক নামে এক কর্পোরেট সংস্থার জুনিয়র অ্যাসোসিয়েট পর্যন্ত এখন সরকারি অফিসারদের উপর নির্দেশ জারি করছে। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের অধিকর্তা এবং অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার এক অফিসারকেও তারা শাসাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবৈধ বাংলাদেশি মুসলিমদের এ রাজ্যে ঠাঁই দিয়েছেন, ঠিক তেমনই কর্পোরেট দালালদেরও প্রশাসনে ঢুকিয়ে দিয়েছেন।” আইএএস অ্যাসোসিয়েশন এবং ডব্লিউবিসিএস অফিসারদের সংগঠনকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে শুভেন্দু বলেন— “তাঁরা কি এ বিষয়ে মুখ খুলবেন না? তাঁদের কি এটা মেনে নিতে কোনও আপত্তি নেই যে কোনও রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থার কর্পোরেট কর্মীরা এখন প্রশাসনিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করছে?” রাজ্যের প্রশাসনিক কাজে হস্তক্ষেপ করছে আইপ্যাক, অভিযোগ শুভেন্দুর।

Be the first to comment